দুমকিতে ফ্রি স্ট্যাইলে খাল ভরাট করে দোকান ও আবাসিক ঘর নির্মান অস্তিত্ব হারাতে বসেছে পীরতলা বাজার খাল

বরিশাল সারাদেশ

মোঃ সাইফুল ইসলাম পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে ফ্রি স্ট্যাইলে খাল ভরাট করে দোকান ও আবাসিক ঘর নির্মানের মধ্য দিয়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে পীরতলা বাজার খাল।
নদীর তীরে বাজারের অংশে দোকান মালিকরা দোকানের পিছনের অংশ মাটি ও বালু ভরাট করে দখল করে নেয়ায় সংকুচিত হয়ে হুমকির মুখে পড়েছে খালটি। সরকারি রেকর্ডিয় এ খাল রক্ষায় অবৈধ দখল মুক্ত করতে আহ্বান জানিয়েছে সাধারণ ব্যবসায়ি ও স্থানীয়রা।
সরেজমিন পরিদর্শণে গিয়ে উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বাজার সংলগ্ন পীরতলা খাল ভরাট ও অবৈধ দখল দারিত্বের এমন বাস্তব চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পীরতলা বাজার সংলগ্ন খালের উভয় দিকে কৃত্রিম বাঁধ দেয়ায় পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাগ্রস্থ হওয়ায় ক্রমেই খালটি ভরাট হয়ে যাচ্ছিল। অপরদিকে বাজারের ময়লা আবর্জনা ও নানা বজ্রের ভাগার, সকল ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংযোগ গিয়ে পড়েছে খালটিতে। ফলে মাত্র ৪/৫ বছরেই খালটি ভরাট হতে হতে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। এ সুযোগে কতিপয় প্রভাবশালী ভিটির মালিকরা তাদের প্রত্যেকের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পেছনে মাটি এবং বালু ফেলে খাল ভরাট করে খাস জমি দখল করে নিচ্ছেন। এভাবে দখল তৎপড়তায় সরকারি রেকর্ডিও খালের অস্তিত্বের সংকট দেখা দিয়েছে। বাজারের থানা ব্রিজ থেকে উত্তরে অধা কিলোমিটার এলাকা জুরে প্রায় প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পেছনের বর্ধিতাংশের খালের অর্ধেকাংশ দখল হয়ে গেছে। বপরীত পাশেও সম পরিমান অংশে কোন ভিটি বা দোকান পাট তুললে খালের অস্তিত্ব আর অবশিষ্ট থাকবে না। ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে বায়ুদূষনসহ আবাসিক বাসিন্দারা রয়েছেন মারাত্মক স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝূঁকিতে।
পীরতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, বন্দর ব্যবসায়ীদের স্বার্থে অবিলম্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে খালটি পুনঃরুদ্ধার করা দরকার।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতি বলেন অবৈধ দখল রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন