এমপি শাহে আলমকে সাধুবাদ… বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও চর দখলমুক্ত করার উদ্যোগ

বরিশাল সারাদেশ

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙন রোধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ ও বন্দর বাজার সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চর অবৈধ দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়ায় বরিশাল-২ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলমকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার পরের দিনই তিনি ভাঙন রোধে সন্ধ্যা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ ও ওসি খলিলুর রহমানকে নির্দেশ দেওয়ায় তারা নদী থেকে বেশ বলগেট ও ড্রেজার আটক করে বালু উত্তোলণ বন্ধ করে দেন। এদিকে সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ পৌর শহরের বন্দর বাজার সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বেশ কিছু স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলেন। তিনি এসময় অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেন। প্রসঙ্গত নদীর ভাঙন রোধে বালু মহাল ইজারা না দেওয়ার দাবিতে ইলুহার ইউনিয়নের এক সাবেক ইউপি সদস্যের হাইকোর্টে করা রিটের প্রেক্ষিতে গত দুই বছর ধরে বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে বালু মহাল ইজারা দিতে পারেনি জেলা প্রশাসন । বালু মহাল ইজারা দেওয়া না হলেও বালু উত্তোলণ বন্ধ হয়নি বরং উপজেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার ছত্রছায়ায় রাত-দিন একাকার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলে।প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার বালু উত্তোলন করা হতো। অনিয়মান্ত্রিক ভাবে বালু উত্তোলণের ফলে নদীর ভাঙন তীব্ররূপ ধারণ করে ভিটেমাটি,ফসলী জমি,রাস্তা-ঘাট,বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব ও রিক্ত হয়ে পড়ে। এ ব্যপারে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীর আবেদন- নিবেদনে কেউ সাড়া দেননি বরং বালুদস্যুদের শেল্টার দিয়েছেন কেউ কেউ। এমনকি হাইকোর্টের আদেশ পর্যন্ত অমান্য করা হয়েছে। সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম অঙ্গিকার করেন তিনি নির্বাচিত হলে নদীর ভাঙন রোধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা সহ সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে অবস্থান নেবেন। নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার সেই কথা রাখ্য়া এলাকাবাসী তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার এ ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখে এলাকাবাসী তাকে ঘিরে সন্ত্রাস,মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত আলোকিত বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলা বির্নিমাণের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।###

শেয়ার করুন