হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন সৌদিতে নয়, বাংলাদেশেই সম্পন্ন হবে

latest news জাতীয়
 অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সৌদি বিমান বন্দরে ৬-৭ ঘন্টা অপেক্ষা করার বিড়ম্বনা দূর হচ্ছে। এখন থেকে তাদের ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন হবে বাংলাদেশেই।

শুক্রবার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, প্রচলিত রীতি অনুসারে বাংলাদেশ বিমানের হজযাত্রীরা আশকোনা হজ ক্যাম্পে ও সৌদি এয়ার লাইন্সের যাত্রীরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেন। আসন্ন হজে একই নিয়মে তারা আসকোনা ক্যাম্পে ও শাহজালাল বিমান বন্দরে বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করবেন। এরপর উভয় বিমানের হজযাত্রীদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি এক্সুসিভ জোনে নিয়ে যাওয়া হবে। সৌদি আরবের জেদ্দায় তাদের যে ইমিগ্রেশন হতো, সেই কাজটি এই এক্সক্লুসিভ জোনে সম্পন্ন করা হবে। এক্সক্লুসিভ জোনের সব কার্যক্রম সৌদি আরবের টেকনিক্যাল প্রতিনিধি দলের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এর ফলে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জেদ্দা বিমান বন্দরে ৬-৭ ঘন্টা অপেক্ষা করার বিড়ম্বনা দূর হবে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পাদন করতে হজ ভিসার জন্য দুতাবাসে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার আগেই দেশের আট বিভাগে প্রত্যেক হজযাত্রীর দশ আঙ্গুলের হাতের ছাপ সংগ্রহ করা হবে। একই সঙ্গে ছবি তোলা ও পাসপোর্ট স্ক্যান করা হবে। আট বিভাগের প্রতিটি জেলা সদরের ডিসি অফিসে সৌদি আরবের টেকনিক্যাল প্রতিনিধি দলের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর ফলে শাহজালালে সৌদি কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সহজ হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আরও জানান, পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ্জে যাবেন। মোট হজযাত্রীদের শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ও অবশিষ্ট ৫০ ভাগ সৌদি এয়ার লাইন্সে করে সৌদি গমন করবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগামী রোজার মাসের মাঝামাঝিতে এসএমএস করে জানিয়ে দেওয়া হবে, কবে থেকে হজযাত্রীদের আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন