ইন্দুরকানীতে ৫৮১ জন বেকার যুবক-যুব নারীর কর্ম সংস্থান

বরিশাল সারাদেশ

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ
ইন্দুরকানীতে ন্যাশনাল সার্ভিসের মাধ্যমে ৫৮১ জনবেকার যুবক-যুবনারীর র্কসংস্থানের লক্ষে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বেকার যুবক ও যুব নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে এবং তার নির্বাচনী ইশতেহারের ওয়াদা মোতাবেক ন্যাসনাল সার্ভিসের মাধ্যমে বেকার যুবক ও যুব নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জন শক্তিতে পরিনত করছেন। এ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট ৫৮১ জন বেকার যুবক ও যুবনারী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করছেন। এর মধ্যে ২১৬ জন বেকার যুবক ও ৩৬৫ জন যুব নারী রয়েছে। তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রত্যেককে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে খন্ডকালীন সময়ের জন্য নিয়োগ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণকালীন সময়ে প্রত্যেকে প্রতিদিন মজুরী বাবদ ১০০ টাকা এবং প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিদিন ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর। বুধবার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তামোঃ নুরুল হুদা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফায়জুল কবির তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকতা মোঃ তৌহিদীন ভূইয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আসাদুল্লাহ শেখ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ফজলুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মীর একেএম আবুল খায়ের, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

 

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকের থানায় জিডি ইন্দুরকানীতে শিক্ষকের হুমকিতে মাদ্রাসা ছাত্রীর ভয়ে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ
ইন্দুরকানীতে এক শিক্ষকের হুমকিতে মাদ্রাসা ছাত্রীর মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ। অতপর মাদরাসা ছাত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছেন শিক্ষার্থীর অভিভবাবক। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার উত্তর পশ্চিম কলারন আজাহার আলী দাখিল মাদরাসায় ২য় শ্রেণীর ছাত্রী রাইসা আক্তার (৮) এর পিতা মাসুম বিল্লাহ রাজু ঐ মাদরাসার শিক্ষক শওকত হোসাইনের বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় এ জিডি করেন। জিডি নং-১০৬৩। জিডি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর পশ্চিম কলারন আজাহার আলী দাখিল মাদরাসার সহকারি শিক্ষক (গনিত) শওকত হোসাইন প্রতিদিন বিকালে পার্শ্ববর্তী উত্তর কলারন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারে বসে তার প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ান। প্রাইভেট শুরুর আগে ও পরে ছাত্র-ছাত্রীরা অশালীন ও অশোভন আচরণ করেন।
এমন খবর পেয়ে রাজুর মা লুৎফুন্নেছা মুকুল ঐ শিক্ষককে ছেলে ও মেয়েদের একত্রে প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক শওকত হোসাইন রাজুর মাকে অশালিন ভাষায় গালাগালি করে এবং তার নাতনি মাদ্রাসা ছাতী রাইসা (৮)কে (রাজুর মেয়ে) মাদরাসায় ক্লাশ করতে গেলে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়। অভিযুক্ত শিক্ষক শওকত হোসেন মানিক জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীর মায়ের  সাথে কথারকাটাকাটি হয়েছে। তবে আমি কাউকে হুমকি দেইনি।
ওই মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আঃ ছালাম জানান, ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ করেছে।

শেয়ার করুন